বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

» বিরোধী রবীন্দ্রনাথ

প্রাবন্ধিক :

“জলে বাসা বেঁধেছিলেম, ডাঙায় বড়ো কিচিমিচি।

সবাই গলা জাহির করে, চেঁচায় কেবল মিছিমিছি।

সস্তা লেখক কোকিয়ে মরে, ঢাক নিয়ে সে খালি পিটোয়,

ভদ্রলোকের গায়ে পড়ে কলম নিয়ে কালি ছিটোয়।”

কড়ি ও কোমলে একটা কাব্যিক পত্র আছে বন্ধু প্রিয়নাথ সেন-কে লেখা। তার প্রথম চারটে লাইন আমায় চমকে দিল। রবীন্দ্রনাথের ব্যাঙ্গাত্মক লেখা আমি এর আগে অনেক পড়েছি। হাস্যকৌতুক, বিশেষত ব্যঙ্গকৌতুকে অনেক এরকম লেখা আছে। কিন্তু এই কবিতায় তীব্রতার মাত্রা যেন একটু অন্যরকম। মাত্রাতিরিক্তের দিকে এগিয়েছে। ফলে ২৪ বছরের রবীন্দ্রনাথের দিকে আরেকটু দৃষ্টিপাত করতে হল। এইক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে, দৃষ্টিপথে তার যে লেখাগুলো আসার কথা, তার অধিকাংশই লুপ্তপ্রায়। অন্তত রবীন্দ্র রচনাবলীতে কবি নিজেই স্থান দেন নি। আর তাই, অপ্রকাশিত লেখাপত্তরের দিকে নজর দিতে হল, আর নজর দিতেই আমার চক্ষু চড়কগাছ।

সময়টা ১৮৮৫। কাদম্বরী দেবী সদ্য গত হয়েছেন। তার তিনমাস আগে তার বিয়ে হয়েছে মৃণালিনী দেবীর সাথে। এবং এই সময়ে রবীন্দ্রনাথ অর্থাৎ ১২৯১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে আদি ব্রাহ্মসমাজের সম্পাদক পদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

এই সময়ে বঙ্গসমাজ, মূলত শহর কলকাতায় আদি সমাজ, নব্য সমাজ এবং সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ — তিন বিভক্ত ব্রাহ্মসমাজের পাশাপাশি খ্রীষ্টান মিশনারী এবং রক্ষণশীল হিন্দুসমাজ — এই পঞ্চদলের কোন্দলের মধ্যে পরে যায়। এই ইতিহাস অনেক বহুল ও বিস্তৃত, আমি সেদিকে যাব না, আমি বলব, রক্ষণশীল হিন্দুসমাজের দিক থেকে দুটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় — ‘ধর্মজিজ্ঞাসা’ এবং ‘হিন্দুধর্ম’। লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। মূলত এই প্রবন্ধের বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ কলম ধরেন। বর্তমানে ‘ধর্মজিজ্ঞাসা’ নামক প্রবন্ধটি বঙ্কিম রচনাবলীর অন্তর্গত নয়। কারণ, ১২৯৫ বঙ্গাব্দে বঙ্কিমচন্দ্র উক্ত প্রবন্ধকে ভেঙে চুরে এবং এর সাথে নতুন প্রবন্ধ যোগ করে প্রকাশ করেন ‘ধর্মতত্ত্ব’র প্রথম ভাগ। ফলে উক্ত প্রবন্ধে ঠিক কি লেখা ছিল জানি না। কিন্তু এই প্রবন্ধের উত্তরে রবীন্দ্রনাথ তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় (ভাদ্র ১২৯১) লেখেন, “সম্প্রতি… কোনো কোন লব্ধপ্রতিষ্ঠ ব্যক্তি একটি নূতন ধর্মমত উদ্ভাবিত করিয়াছেন। সে-মত এই যে কোম্‌তের মতই প্রকৃত হিন্দুধর্ম…। এই মত একটি অদ্ভুত মত বলিতে হইবে। আমরা যদি উক্ত প্রস্তাবের লেখক বঙ্কিমবাবুকে দিনরাত্রি চমৎকার ভাবে দেখি তাহা কি ধর্ম বলা যাইতে পারে?” বঙ্কিমচন্দ্র আগস্ত কোঁৎ (comte) –এর ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ বঙ্কিমচন্দ্রের ব্যক্তিগত জীবনে সরাসরি আঘাত করে বসলেন।

অপরদিকে ‘হিন্দুধর্ম’ নামক অপর প্রবন্ধ বঙ্কিম রচনাবলীর ‘দেবতত্ত্ব ও হিন্দুধর্ম’ নামক প্রবন্ধগুচ্ছের প্রথম প্রবন্ধ। প্রবন্ধটি পাঠ করলে তার মধ্যে ধর্মনিন্দার এমন কিছুই পাওয়া যায় না। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ সিটি কলেজের হলে ‘একটি পুরাতন কথা’ নামক প্রবন্ধ পাঠ করতে গিয়ে বঙ্কিমচন্দ্রকে সরাসরি আক্রমণই করে বসলেন। তিনি লিখলেন —

“সুবিধার অনুরোধে সমাজের ভিত্তিভূমিতে যাঁহারা ছিদ্র খনন করেন, তাঁহারা অনেকে আপনাদিগকে বিজ্ঞ practical বলিয়া পরিচয় দিয়া থাকেন। তাঁহারা এমন ভাব প্রকাশ করেন যে, মিথ্যা কথা বলা খারাপ, কিন্তু Political উদ্দেশ্যে মিথ্যা কথা বলিতে দোষ নাই। সত্যঘটনা বিকৃত করিয়া বলা উচিত নহে, কিন্তু তাহা করিলে যদি কোনো ইংরাজ অপদস্থ হয় তবে তাহাতে দোষ নাই। … আমাদের দেশের প্রধান লেখক প্রকাশ্যভাবে অসংকোচে নির্ভয়ে অসত্যকে সত্যের সহিত একাসনে বসাইয়াছেন, সত্যের পূর্ণ সত্যতা অস্বীকার করিয়াছেন, এবং দেশের সমস্ত পাঠক নীরবে নিস্তব্ধভাবে শ্রবণ করিয়া গিয়াছেন। … লেখক মহাশয় একটি হিন্দুর আদর্শ কল্পনা করিয়া বলিয়াছেন, তিনি “যদি মিথ্যা কহেন তবে মহাভারতীয় কৃষ্ণোক্তি স্মরণ পূর্বক যেখানে লোকহিতার্থে মিথ্যা নিতান্ত প্রয়োজনীয়– অর্থাৎ যেখানে মিথ্যাই সত্য হয়, সেইখানেই মিথ্যা কথা কহিয়া থাকেন।’ কোনোখানেই মিথ্যা সত্য হয় না, শ্রদ্ধাস্পদ বঙ্কিমবাবু বলিলেও হয় না স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বলিলেও হয় না। বঙ্কিমবাবু শ্রীকৃষ্ণকে ঈশ্বরের অবতার বলিয়া বিশ্বাস করেন। কিন্তু, ঈশ্বরের লোকহিত সীমাবদ্ধ নহে– তাঁহার অখণ্ড নিয়মের ব্যতিক্রম নাই। অসীম দেশ ও অসীম কালে তাঁহার হিত-ইচ্ছা কার্য করিতেছে– সুতরাং একটুখানি বর্তমান সুবিধার উদ্দেশ্যে খানিকটা মিথ্যার দ্বারা তালি-দেওয়া লোকহিত তাঁহার কার্য হইতেই পারে না।”

বঙ্কিমচন্দ্র বুদ্ধিমান মানুষ। বুঝে গেলেন, এ রবি বলছেন না। আদি ব্রাহ্মসমাজের সম্পাদক শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলছেন। তিনি এর উত্তরে ‘আদি ব্রাহ্মসমাজ ও নব্য হিন্দুসম্প্রদায়’ শীর্ষক প্রবন্ধে লিখলেন —

“রবীন্দ্র বাবুর কথার উত্তরে ইহার বেশী প্রয়োজন নাই। রবীন্দ্র বাবু প্রতিভাশালী সুশিক্ষিত, সুলেখক, মহৎ স্বভাব, এবং আমার বিশেষ প্রীতি, যত্ন এবং প্রশংসার পাত্র। বিশেষতঃ তিনি তরুণবয়স্ক। যদি তিনি দুই একটা কথা বেশী বলিয়া থাকেন, তাহা নীববে শুনাই আমার কর্ত্তব্য।

তবে যে এ কয় পাতা লিখিলাম, তাহার কারণ, এই রবির পিছনে একটা বড় ছায়া দেখিতেছি। রবীন্দ্র বাবু আদি ব্রাহ্ম সমাজের সম্পাদক। সম্পাদক না হইলেও আদি ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে তাঁহার সম্বন্ধ যে বিশেষ ঘনিষ্ঠ, তাহা বলা বাহুল্য।”

এর বিরোধিতা রবীন্দ্রনাথ করলেও তিনি অস্বীকার করতে পারেন না যে, বঙ্কিমোক্ত যুক্তিটি পরোক্ষভাবে হলে সত্যি। ‘কৈফিয়ৎ’ নামক প্রবন্ধে লেখেন—

“বঙ্কিমবাবু তাঁহার প্রবন্ধে যেখানেই অবসর পাইয়াছেন আদি ব্রাহ্মসমাজের প্রতি সুকঠোর সংক্ষিপ্ত ও তির্যক কটাক্ষপাত করিয়াছেন। সেরূপ কটাক্ষপাতে আমি ক্ষুদ্র প্রাণী যতটা ভীত ও আহত হইব আদি ব্রাহ্মসমাজের ততটা হইবার সম্ভাবনা নাই। আদি ব্রাহ্মসমাজের নিকটে বঙ্কিমবাবু নিতান্তই তরুণ। বোধ করি বঙ্কিমবাবু যখন জীবন আরম্ভ করেন নাই তখন হইতে আদি ব্রাহ্মসমাজ নানা দিক হইতে নানা আক্রমণ সহ্য করিয়া আসিতেছেন কিন্তু কখনোই তাঁহার ধৈর্য বিচলিত হয় নাই। বঙ্কিমবাবু আজ যে বঙ্গভাষার ও যে বঙ্গসাহিত্যের পরম গৌরবের স্থল, আদি ব্রাহ্মসমাজ সেই বঙ্গভাষাকে পালন করিয়াছেন সেই বঙ্গসাহিত্যকে জন্ম দিয়াছেন। আদি ব্রাহ্মসমাজ বিদেশীদ্বেষী তরুণ বঙ্গসমাজে য়ুরোপ হইতে জ্ঞান আহরণ করিয়া আনিয়াছিলেন এবং পাশ্চাত্যালোকে অন্ধ স্বদেশদ্বেষী বঙ্গযুবকদিগের মধ্যে প্রাচীন হিন্দুদিগের ভাব রক্ষা করিয়া আসিয়াছেন; আদি ব্রাহ্মসমাজ হিন্দুসমাজপ্রচলিত কুসংস্কার বিসর্জন দিয়াছেন কিন্তু তৎসঙ্গে হিন্দুহৃদয় বিসর্জন দেন নাই– এইজন্য চারি দিক হইতে ঝঞ্ঝা আসিয়া তাঁহার শিখর আক্রমণ করিয়াছে, কিন্তু কখনো তাঁহার গাম্ভীর্য নষ্ট হয় নাই। আজি সেই পুরাতন আদি ব্রাহ্মসমাজের অযোগ্য সম্পাদক আমি কাহারও কটাক্ষপাত হইতে আদি ব্রাহ্মসমাজকে রক্ষা করিতে অগ্রসর হইব ইহা দেখিতে হাস্যজনক।

বঙ্কিমবাবুর প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ভক্তি আছে তিনি তাহা জানেন। যদি তরুণ বয়সের চপলতাবশত বিচলিত হইয়া তাঁহাকে কোনো অন্যায় কথা বলিয়া থাকি তবে তিনি তাঁহার বয়সের ও প্রতিভার উদারতাগুণে সে সমস্ত মার্জনা করিয়া এখনও আমাকে তাঁহার স্নেহের পাত্র বলিয়া মনে রাখিবেন। আমার সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি সরলভাবে যে-সকল কথা বলিয়াছি, আমাকে ভুল বুঝিয়া তাহার অন্য ভাব গ্রহণ না করেন।”

বলা বাহুল্য, দুই তরফেই এরপর আর কোন উচ্চবাচ্য হয় নি। দুজনেই এখানেই থেমে গেছেন। পরবর্তীকালে ‘জীবনস্মৃতি’তে রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, “এই বিরোধের অবসানে বঙ্কিমবাবু আমাকে যে একখানি পত্র লিখিয়াছিলেন আমার দুর্ভাগ্যক্রমে তাহা হারাইয়া গিয়াছে— যদি থাকিত তবে পাঠকেরা দেখিতে পাইতেন, বঙ্কিমবাবু কেমন সম্পূর্ণ ক্ষমার সহিত এই বিরোধের কাঁটাটুকু উৎপাটন করিয়া ফেলিয়াছিলেন।”

রবীন্দ্রনাথ কিন্তু এখানেই থামলেন না। তার লক্ষ্য ছিল নব্য হিন্দুসমাজ। এই লক্ষ্য কে ঠিক করে দিয়েছিলেন? মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ, না কি তিনি নিজেই, না কি সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে তার এই র্যা ডিক্যাল চিন্তার ধাক্কায় আদি ব্রাহ্মসমাজকে বঙ্গসমাজের সামনে পুণর্জাগ্রত করা? কিন্তু দেখা যাচ্ছে, তার লেখনীতে শ্লেষ বড়ো তীব্র। প্রিয়নাথ সেনকে লিখছেন,

“খুদে খুদে “আর্য’ গুলো ঘাসের মতো গজিয়ে ওঠে,

ছুঁচোলো সব জিবের ডগা কাঁটার মতো পায়ে ফোটে।

তাঁরা বলেন, “আমি কল্কি” গাঁজার কল্কি হবে বুঝি!

অবতারে ভরে গেল যত রাজ্যের গলিঘুঁজি।”

আমি জানি না ‘অবতার’ অর্থের অপর লক্ষ্য রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ছিলেন কি না। রবীন্দ্রনাথ এনার কথা জানতেন। তার শিষ্যেরা তাকে ‘অবতার’ বলে প্রচার করতে একটু একটু করে শুরু করে দিয়েছেন তা কেশবচন্দ্র সেন, রামচন্দ্র দত্ত প্রমুখের লেখা ও বক্তৃতা দেখলেই বোঝা যায়, যদিও এই সময় পরমহংসদেব জীবিত। উনি নিজেও বলতেন ভৈরবী ব্রাহ্মণী তাকে অবতাররূপে বিদ্বজ্জন বিতর্কসভায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু যদি লক্ষ্য হয়েও থাকে, কড়ি ও কোমলে প্রকাশিত উল্লিখিত পদ্যপত্রটির লাইনগুলো যথেষ্ট আক্রমণাত্মক।

তবে সব কিছু থেকে ছাপিয়ে গেলেন ‘দামু বসু ও চামু বসু’ নামক কবিতায়। বলা হয়, ‘সঞ্জীবনী’ সাপ্তাহিকে যে দুইজন এই কবিতার লক্ষ্য ছিলেন, তারা হলেন, চন্দ্রনাথ বস ও যোগেন্দ্রনাথ বসু। এদের দুজনেরই ব্রাহ্মবিদ্বেষ রীতিমতো সুপরিচিত। বিশেষ করে দ্বিতীয়জনের লেখায় হীনতা প্রকাশ পেয়েছে বহুবার। এদের বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ কলম ধরেন। উক্ত কবিতার এক জায়গায় লেখেন —

“কলির শেষে প্রজাপতি তুলেছিলেন হাই

সুড়সুড়িয়ে বেরিয়ে এলেন আর্য দুটি ভাই,

(আর্য দামু আর্য চামু!)

দন্ত দিয়ে খুঁড়ে তুলচে হিঁদুশাস্ত্রের মূল,

মেলাই কচুর আমদানিতে বাজার হুলুস্থুল।

(দামু চামু অবতার!)”

এই চারটে লাইনই গোটা কবিতার পরিপ্রেক্ষিতে যথেষ্ট। এর তীব্রতা এতটাই যে, কড়ি ও কোমলের প্রথম সংস্করণে রেখেও পরবর্তী সংস্করণে তিনি বাদ দেন। এমনকি পরবর্তীকালে ‘ধর্মপ্রচার’ নামক কবিতাতেও এই ব্যাঙ্গরচনা দেখা যায় — “কাছাকোঁচা লও আঁটি, / হাতে তুলে লও লাঠি। / হিন্দুধর্ম করিব রক্ষা, / খৃস্টানি হবে মাটি।”

যদিও রবীন্দ্রনাথ এর পরবর্তী সময়ে এমন তীব্র শ্লেষাত্মক লেখা আর সেরকম লেখেননি। আসলেই এটা তার প্রকৃতি ছিল না, আর ছিল না বলেই এই সময়টাতেই যা লেখার লেখা হয়, এবং পরবর্তীকালে তা বর্জিত হয়। আমি বিস্মিত হয়ে দেখছি, ঠিক এর পাশাপাশি কড়ি ও কোমলের সেইসব অসাধারণ দেহতত্ত্বের আধুনিক সনেট লেখা হচ্ছে; এবং এই সময়েই, তিনি ব্রাহ্মসমাজের জন্যেও ব্রহ্মসঙ্গীতও রচনা করছেন। গানগুলো শুনলে বোঝা যায় কি অসাধারণ সে সব গান! কোন সাধকের, কোন প্রেমিকের হৃদয় এমন কুৎসিতভাবে আক্রমণ করার ক্ষমতা রাখে! ঘরে-বাইরের রবীন্দ্রনাথ যে নিজেকে কোন উচ্চতায় সেইসময় নিয়ে গিয়েছিলেন, তা ভাবতে গেলেই চমকে যেতে হয়।

==============

ছবি কৃতজ্ঞতা : সমর্পিতা

সহায়ক বই : কড়ি ও কোমল, মানসী, দেবতত্ত্ব ও হিন্দুধর্ম, ধর্মতত্ত্ব (১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এডিশান), সমাজ, শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনবৃত্তান্ত, শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণলীলাপ্রসঙ্গ, রবীন্দ্রজীবনী।

৪ Comments

  1. 92go11 is my go-to for a quick gaming fix! Always a solid experience. Check it out 92go11.

  2. Needed a quick place to log in to my 600bet account and 600betlogin sorted me right out. No messing about, straight to the point. If you’re looking for it, here you go: 600betlogin

  3. Khelo247star is alright, I guess. It’s got a decent selection, but sometimes feels a bit clunky. Still, I keep coming back, so they must be doing something right! Maybe give them a try? khelo247star.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *